দোলে রঙিন শান্তিনিকেতন থেকে মায়াপুর

0
122

নিউজ ডেস্ক : দোল মানেই বহু বাঙালির ঠিকানা শান্তিনিকেতন। রঙ আর আবিরে প্রতি দোলেই রাঙা হয়ে যায় লালমাটির বোলপুর। কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে এবারও সকাল থেকেই ছিল উৎসবের সেই চেনা চেহারা। বেজে উঠল সেই চেনা গান –‌ ওরে গৃহবাসী, খোল দ্বার খোল, লাগল যে দোল।

pf-91dm dance during holi festival santiniketanবৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ কখন রঙের খেলা চালু করেছিলেন, তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু শান্তিনিকেতনে যে রবীন্দ্রনাথ বসন্ত উৎসব চালু করেছিলেন, তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। ১৯২৫ সালে বিশ্বভারতীতে শুরু হয় বসন্ত উৎসব। উৎসবের মূল সুর যেন তখন থেকেই বেঁধে দেওয়া হয়ে গিয়েছিল। তখনই দেশ–‌বিদেশের নানা অতিথির পাশাপাশি উৎসবে সামিল করা হতেন আদিবাসীদেরও। সেই প্রথা আজও চলেছে।

133201223DSD974993আশ্রমের ছাত্র–‌ছাত্রীরা তো ছিলেনই। ছিলেন ভিনদেশি ছাত্র–‌ছাত্রীরাও। নেচে উঠলেন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরাও। এমনকী বিদেশিরাও। আর ফাগের রঙিন ছটায় ভরে উঠেছিল ভুবনডাঙা থেকে বিশ্বভারতী।

133201229DSD975126সারা বছরই বিদেশিদের ভিড় লেগেই থাকে মায়াপুরে। সেই মায়াপুর অন্য তাৎপর্য পায় দোলপূর্ণিমায়। আবির আর রঙে মেতে উঠল মায়াপুর। কলকাতা ও বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন পর্যটকরা। অনেকেই প্রতিবছর নিয়ম করে হাজির হয়ে যান এই দোল উৎসবে। এ যেন এক পুনর্মিলন। চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মদিন হিসেবেই পালিত হয় দিনটি।

indexসকালেই ছিল আরতি। চৈতন্যর নামে সকাল থেকেই চলছে কীর্তন। চলছে আবির খেলা। মন্দিরের ভেতর আবির খেলা বারণ। কিন্তু মন্দিরের বাইরে সেই নিষেধাজ্ঞা নেই। অবাধে চলেছে নানা রঙের আবিরের ফোয়ারা। বহু বিদেশিরাও সামিল হলেন দোল উৎসবে। সারাদিনই চলেছে উৎসব।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY